কারিগরি শিক্ষা
একটাই লক্ষ্য
হতে হবে দক্ষ
আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
ABDUR RAHMAN TECHNICAL AND ENGINEERING COLLEGE
INSTITUTE CODE: 46065 EIIN: 136004
Brammon kandha,Raypurhut,Madhukhali,FaridpurEmail: artbmc2011@gmail.com | Mobile: 01716575556
Web: https://artbmc.edu.bd/
  ব্রেকিং নিউজ  
| Class | Students |
|---|---|
| NINE VOC(A,B,C,D,E,F) | 100 |
| TEN VOC(A,B,C,D,E,F) | |
| XI BM(A,B,C,D,E,F) | 200 |
| XII BM(A,B,C,D,E,F) | 160 |
Grow In The Esteem of Future
‘ বিকশিত হও ভবিষ্যতের জন্য ’
স্মার্ট মধুখালী স্মার্ট এডুকেশন
বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কর্তৃক একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট তৈরির এই উদ্যোগটি প্রশংসনীয় সন্দেহ নেই। সরকারের এই সিদ্ধান্ত এবং প্রতিষ্ঠানের এই উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাচ্ছি। আমি আশা করছি এই ওয়েবসাইট চালু করার ফলে যে কেউ প্রতিষ্ঠানের যে কোন তথ্য সম্পর্কে খুব সহজে অবগত হতে পারবে এবং বর্তমান সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবরূপ দান করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
আমি বিশ্বাস করি শিক্ষাই আলো, শিক্ষাই শক্তি, শিক্ষাই মুক্তি, শিক্ষাই জীবন। যে কোন দেশের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হচ্ছে সে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন। যে জাতি যত বেশী শিক্ষিত, সে জাতি-সে দেশ তত বেশী উন্নত। তাই উন্নত জাতি ও দেশ গঠনে সুশিক্ষিত নাগরিক তৈরি করা আবশ্যক।
মধুখালী উপজেলা অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি উপজেলা হওয়া সত্ত্বেও নারী শিক্ষায় পিছিয়ে ছিল দীর্ঘদিন। সময়ের বিবর্তনে বর্তমান শিক্ষা ক্ষেত্রে এসেছে বিরাট পরিবর্তন। আর সে পরিবর্তনের ধারায় জননেতা আব্দুর রহমান এর উদ্যোগে ও কিছু সংখ্যক শিক্ষা সচেতন ব্যক্তির উৎসাহ ও নিরলস প্রচেষ্টায় স্থানীয় এলাকাবাসীর আশা আকাঙ্ক্ষার প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ” ।
এ প্রতিষ্ঠানের প্রতি স্থানীয় সুধিজনের মনোভাব অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক এবং এলাকার বিশিষ্ট ও মহৎপ্রাণ ব্যক্তিবর্গ, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, যারা এ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় উৎসাহ যুগিয়েছেন তাদেরকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। এ প্রতিষ্ঠান কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা ও উন্নত নৈতিক চরিত্র গঠনের নিশ্চয়তা বিধানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বিগত বছরে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও নিষ্ঠাবান শিক্ষক এবং সুদক্ষ ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠানটি বোর্ড পরীক্ষায় খুবই ভাল ফলাফল করতে সক্ষম হয়েছে। আশা করছি সকলের উৎসাহ ও সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি অত্র এলাকার উচ্চ শিক্ষার প্রাণ কেন্দ্রে পরিনত হবে।
শুভেচ্ছান্তে
মোঃ আবু রাসেল
সভাপতি
আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড
আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ - বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ- হল একটি সহ-শিক্ষামূলক এবং বহুমাত্রিক প্রতিষ্ঠান যেখানে শিক্ষার্থীরা আরও আত্মবিশ্বাসের সাথে এবং দক্ষতার সাথে জীবনের ব্যবহারিক ক্ষেত্রে পা রাখতে সক্ষম হয়। আমি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি চমৎকার, যত্নশীল এবং সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সমস্ত কর্মীদের পেশাদারিত্ব, উত্সর্গ এবং দলগত কাজ দ্বারা মুগ্ধ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে তাদের পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গি ছাত্রদের কোমল আত্মায় দেশপ্রেম, কমরেডশিপ এবং ত্যাগী মনোভাব জাগিয়ে তুলবে। এই প্রতিষ্ঠানের প্রচেষ্টা সর্বদা মানবতার জন্য ভাল মানুষ গড়ার লক্ষ্যে থাকবে।
প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল এবং সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনাকে লালন করে। এখানকার শিক্ষার্থীদের মানসিক দিগন্তকে তাদের নিজস্ব যোগ্যতা ও দক্ষতায় আরও দক্ষ এবং ফলপ্রসূ হতে প্রশস্ত করবে। এই ওয়েবসাইটটি আমাদের সকলকে পাঠ্যক্রমিক, পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপ এবং আপডেট বিজ্ঞপ্তির পাশাপাশি স্কুল সম্প্রদায়ের কল্যাণ সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ করে।
এই মহামারীর সময়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল লার্নিং একটি প্রয়োজনীয় সম্পদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি, যে কোন ধরনের পরিস্থিতির জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকে। কোভিড-১৯-এর এই মহামারীর সময়ে, আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক অনলাইন শিক্ষা প্রদান করছে। শিক্ষকরা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইন জুম ক্লাস পরিচালনা করছেন। ক্লাব, খেলাধুলা এবং অনুপ্রেরণামূলক ক্লাসের মতো এই প্ল্যাটফর্মগুলি তাদের একে অপরের সাথে দেখা এবং যোগাযোগ করার এবং অনলাইন ক্লাসগুলিকে আরও আকর্ষণীয় রাখার সুযোগ দিচ্ছে। এছাড়াও আমরা জুমের মাধ্যমে সকল জাতীয় অনুষ্ঠান অত্যন্ত কার্যকরভাবে উদযাপন করছি।
আমি আশা করি, আপনি ওয়েবসাইটে সচিত্র এবং তথ্যপূর্ণ পরিদর্শন উপভোগ করবেন। আপনাদের সহযোগিতা ও দোয়া নিয়ে প্রতিষ্ঠানের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত থেকে আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
প্রতিষ্ঠাতা
আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
মেধা ও প্রতিভা নিয়ে পৃথিবীতে কেউ জন্মায় না।
প্রতিভা ও মেধার বিকাশ ঘটাতে হয়। জন্ম নিলেই মানুষ মানুষ হয় না, মনুষ্যত্ব দিয়ে তাকে মানুষ বানাতে হয়। পিতামাতা হলও সন্তানদের জন্য পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম অধ্যাপক এবং পরিবারই হল সবচেয়ে বড় বিদ্যাপীঠ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল মেধা ও প্রতিভা বিকাশের অন্যতম স্থান। সেই বিকাশের অন্যতম কারিগর হল শিক্ষক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জ্ঞান বিজ্ঞান, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার কল্যাণেই মনুষ্যত্ব ও মেধার সম্প্রসারণ ঘটে। আর মেধার সম্প্রসারণ ঘটাতে পারলেই জাগরণ ঘটে একটি জাতির। একটি দেশকে উন্নতির শিখরে পৌছাতে হলে জাতিকে গড়ে তুলতে হবে শিক্ষিত করে। সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন ঘটেছে শিক্ষাক্ষেত্রেও। বর্তমান সরকারের সময়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের ফলে প্রযুক্তি আজ আকাশছোঁয়া। একবিংশ শতাব্দীর বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধতা গড়ে তোলা। এরই আলোকে বর্তমান সরকারের ডিজিটাল স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাঘা উপজেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ শাহদৌলা সরকারি কলেজ পরিবারও বদ্ধপরিকর।
বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভিশন ২০২১ এর সাথে আমরা আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ পরিবারও একত্বতা প্রকাশ করছি। এই লক্ষ্য পূরণে ইতিমধ্যেই আমরা শ্রেণি কক্ষে প্রজেক্টর ও ল্যাপটপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। এছাড়া শেখ রাসেল আধুনিক ডিজিটাল ল্যাব, বিজ্ঞান ক্লাব, রোভার-স্কাউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এছাড়াও খেলাধুলা ও সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা অব্যাহত রয়েছে। স্মার্ট অয়েবসাইট, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ডিজিটাল হাজিরা চালু করা হয়েছে। পরিবেশগত শৃঙ্খলা নিশ্চিত করণে প্রতিষ্ঠানকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতাভুক্ত করা হয়েছে। অনলাইন ব্যাংকিং সহ তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারে ডায়নামিক ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। এখন থেকে আমাদের ছাত্র/ছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষক/শিক্ষিকা তাদের সকল তথ্য ঘরে বসেই ওয়েব সাইট থেকে পেয়ে যাবেন। এ ওয়েবসাইটটিতে যে তথ্য ও উপাত্ত থাকবে তা অবাধ তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করবে এর ফলে একদিকে আমরা ইনফরমেশন হাইওয়ে উঠতে সক্ষম হব। পাশাপাশি আমাদের কাজে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা, জবাবদিহিতা সেবার মান বৃদ্ধি পাবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
আমি অত্র প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও মান সম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করণে সরকারের পাশাপাশি জনাব মোঃ আব্দুর রহমান মহোদয়ের উন্নয়নের অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতায় আপামর জনসাধারণের সার্বিক সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করছি। এ কলেজের উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি ঘটুক, মহান আল্লাহ্’র কাছে এই কামনা করছি।
মুহম্মদ ইসাহাক হোসেন মোল্যা
অধ্যক্ষ
আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
বিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থায় সমগ্র পৃথিবী একটি Global village-এ পরিণত হয়েছে।
বিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থায় সমগ্র পৃথিবী একটি Global village-এ পরিণত হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উৎকর্ষের বদৌলতে পৃথিবীর সকল প্রান্তের মানুষ আজ পরস্পরের অনেক কাছাকাছি এসে গেছে । স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক প্রশাসনব্যবসহা গড়ে তোলা এবং সমাজের সকল স্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সেবাসরবরাহকারী ও সেবা গ্রহনকারীর মাঝে নিবিড় যোগাযোগ থাকা প্রয়োজন। আর এজন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগ, প্রসার ও উৎকর্ষসাধন অত্যাবশ্যক। এপ্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকার ২০৪১ সালে এ দেশকে তথ্য ও প্রযুক্তি নির্ভরএকটি আধুনিক প্রগতিশীল রাস্ট্রে উন্নীতকরণের লক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছে । তারই অংশ হিসেবে দেশের সকল জেলাকে ''তথ্য ভান্ডার'' হিসেবে গড়েতোলার জন্য প্রতিটি জেলা ওয়েব পোর্টাল তৈরী করা হয়েছে । জেলা ওয়েব পোর্টালের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দ্রুততম সময়ে জনগণকে তথ্য ও সেবা সরবরাহ করা । এ ওয়েব সাইটটিতে । তথ্যপ্রত্যাশী, পর্যটক, জ্ঞানপিপাসু ও গবেষকগণ কারিগরি শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য পাবেন।
শুভেচ্ছান্তে
দোলেনা সুলতানা
প্রভাষক(কম্পিউটার অপারেশন)
আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
| ১.টয়লেট সুবিধা আছে কি না ? | YES |
| ২.বিজ্ঞানাগার আছে কি না ? | YES |
| ৩.সততা ষ্টোর আছে কি না ? | YES |
| ৪.সংস্কৃতি চর্চা হয় কি না ? | YES |
| ৫.খেলা ধুলা চর্চা হয় কি না ? | YES |
| ৬.সমৃদ্ধ লাইব্রেরি আছে কি না ? | YES |
| ৭.মাল্টি মিডিয়া ব্যবহার/প্রয়োগ প্রতি শ্রেণি-পাঠদান হয় কি না ? | YES |
Copyright © 2022 All Right Reserved | Powered by : RAUD
